অনেক ওষুধই আমাদের শরীরে প্রবেশ করার পর তার প্রক্রিয়াজাতকরণের কাজটি করে আমাদের লিভার। জন্ডিসে যেহেতু লিভার খুবই নাজুক অবস্থায় থাকে, তাই এই সময় আবার কোন ওষুধ প্রক্রিয়াজাতকরণের কাজটা লিভারের উপর অতিরিক্ত চাপ ফেলে দেয়। এজন্য এই সময় যত কম ওষুধ খাওয়া যায়, ততই ভাল। এমনকি জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল বা হার্বাল ওষুধও বর্জন করুন। জন্ডিস হলে জন্ডিসের কারণগুলো পরীক্ষা করার মাধ্যমে সঠিক ডায়াগনসিস করা খুবই জরুরী। এখন যদি দেখা যায় এর কারণ হেপাটাইটিস ‘A’ তাহলে আপনি বেড রেস্ট করবেন। আর যদি এর সাথে আরো কিছু লক্ষণ থেকে থাকে যেমন – বমি, জ্বর, পানিশূন্যতা ইত্যাদি তাহলে এর সাপোর্টিভ চিকিৎসা ও পরামর্শ একজন অভিজ্ঞ ডাক্তারই তা দিতে পারেন। তাছাড়া জন্ডিসের কারণ যদি হয় হেপাটাইটিস ‘B’/ ‘C’, পিত্তথলির পাথর বা ইনফেকশন, লিভারের ক্যান্সার ইত্যাদি, সেক্ষেত্রে কি চিকিৎসা নিতে হবে সেটা জানার জন্য আপনাকে অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিতেই হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

two − 2 =